সংখ্যা পদ্ধতির রুপান্তর(Conversion of Number System)

 Skip to co

সংখ্যা পদ্ধতির রুপান্তর(Conversion of Number System)

এক সংখ্যা পদ্ধতি থেকে অন্য সংখ্যা পদ্ধতিতে পরিবর্তন করাকে সংখ্যা পদ্ধতির রুপান্তর বলে। আমরা
দশমিক,বাইনারি,অক্টাল,হেক্সাডেসিমাল ও অন্যান্য ভিত্তি বিশিষ্ট সংখ্যা পদ্ধতির মধ্যে খুব সহজেই পারস্পারিক পরিবর্তন করতে পারি। এবং এই পরিবর্তনগুলো আমরা নিম্নোক্ত ৪টি প্রধান নিয়মে শিখতে পারি-

নিয়ম-০১: দশমিক সংখ্যা থেকে বাইনারি,অক্টাল,হেক্সাডেসিমাল ও অন্যান্য ভিত্তি বিশিষ্ট সংখ্যায় রুপান্তর।
অর্থাৎ দশমিক সংখ্যা থেকে অন্য যে কোন সংখ্যায় রুপান্তর।

***যে কোন সংখ্যার ১ বা ২ টি অংশ থাকতে পারে। যথা-পূর্ণাংশ ও ভগ্নাংশ। নিচে পূর্ণাংশ ও ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে নিয়মসহ রুপান্তর দেখানো হলো-

পূর্ণাংশের ক্ষেত্রে-
ধাপ-০১: যে সংখ্যা পদ্ধতিতে রুপান্তর করবো তার বেস বা ভিত্তি দিয়ে দশমিক পূর্ণ সংখ্যাটিকে ভাগ করে ভাগফল ও ভাগশেষ লিখি।
ধাপ-০২: প্রাপ্ত ভাগফলকে আবার কাঙ্খিত সংখ্যা পদ্ধতির বেস বা ভিত্তি দিয়ে ভাগ করে ভাগফল ও ভাগশেষ লিখি।
ধাপ-০৩: এইভাবে(ধাপ-০২ অনুসারে) পর্যায়ক্রমে ভাগ করতে থাকি যতক্ষণ না ভাগফলের ঘরে শূন্য হয়।
ধাপ-০৪: সংরক্ষিত ভাগশেষ গুলিকে নিচ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে সাজিয়ে লিখলে যে সংখ্যাটি পওয়া যায় তাই হলো রুপান্তরিত কাঙ্খিত সংখ্যাটি।

উদাহরণ-১: (23)10 কে বাইনারি সংখ্যায় রুপান্তর কর।
সমাধান: এখানে প্রদত্ত সংখ্যাটি (23)10 । সংখ্যাটিকে বাইনারিতে প্রকাশ করতে হলে নিয়ম অনুসারে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির বেস 2 দ্বারা ভাগ করতে হবে।

  সংখ্যাটি(23)  ভাগফল ভাগশেষ
23÷2111
11÷251
5÷221
2÷210
1÷201

এখন ধাপ-০৪ অনুসারে, (23)10=(10111)2 (Ans.)

উদাহরণ-২: (469)10 কে অক্টাল সংখ্যায় রুপান্তর কর।
সমাধান: এখানে প্রদত্ত সংখ্যাটি (469)10 । সংখ্যাটিকে অক্টালে প্রকাশ করতে হলে নিয়ম অনুসারে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির বেস 8 দ্বারা ভাগ করতে হবে।

  সংখ্যাটি(469)  ভাগফল ভাগশেষ
469÷8585
58÷872
7÷807

এখন ধাপ-০৪ অনুসারে, (469)10=(725)8 (Ans.)

উদাহরণ-৩: (436)10 কে হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় রুপান্তর কর।
সমাধান: এখানে প্রদত্ত সংখ্যাটি (436)10 । সংখ্যাটিকে হেক্সাডেসিমালে প্রকাশ করতে হলে নিয়ম অনুসারে হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতির বেস 16 দ্বারা ভাগ করতে হবে।

  সংখ্যাটি(436)  ভাগফল ভাগশেষ
436÷16274
27÷16111(B)
1÷1601

এখন ধাপ-০৪ অনুসারে, (436)10=(1B4)16 (Ans.)

উদাহরণ-৪: (58)10 কে 6 ভিত্তিক সংখ্যায় রুপান্তর কর।
সমাধান: এখানে প্রদত্ত সংখ্যাটি (58)10 । সংখ্যাটিকে 6 ভিত্তিক সংখ্যায় প্রকাশ করতে হলে নিয়ম অনুসারে ভিত্তি 6 দ্বারা ভাগ করতে হবে।(এক কথায় যা বানাবো তার ভিত্তি দিয়ে ভাগ করতে হবে)

  সংখ্যাটি(58)  ভাগফল ভাগশেষ
58÷694
9÷613
1÷601

এখন ধাপ-০৪ অনুসারে, (58)10=(134)6 (Ans.)

বাড়ির কাজ: (209)10 সংখ্যাটিকে বাইনারি, অক্টাল, হেক্সাডেসিমাল ও 5 ভিত্তিক সংখ্যায় রুপান্তর কর।

 

ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে-
ধাপ-০১: যে সংখ্যা পদ্ধতিতে রুপান্তর করবো তার বেস বা ভিত্তি দিয়ে দশমিক ভগ্নাংশ সংখ্যাটিকে গুন করে গুনফলের পূর্ণাংশ ও ভগ্নাংশ লিখি।
ধাপ-০২: প্রাপ্ত ভগ্নাংশকে আবার কাঙ্খিত সংখ্যা পদ্ধতির বেস দিয়ে গুন করে গুনফলের পূর্ণাংশ ও ভগ্নাংশ লিখি।
ধাপ-০৩: এইভাবে(ধাপ-০২ অনুসারে) পর্যায়ক্রমে গুন করতে থাকি যতক্ষণ না ভগ্নাংশের ঘরে শূন্য হয়।
ধাপ-০৪: সংরক্ষিত পূর্ণাংশ গুলিকে উপর থেকে নিচের দিকে পর্যায়ক্রমে সাজিয়ে লিখলে যে সংখ্যাটি পওয়া যায় তাই হলো রুপান্তরিত কাঙ্খিত সংখ্যাটি।(এক্ষেত্রে সাজিয়ে লেখার সময় প্রথমে পয়েন্ট দিয়ে নিতে হবে এবং ৩/৪ বার গুন করার পরেও যদি ভগ্নাংশের ঘরে শূন্য না হয় সেক্ষেত্রে গুন করা বন্ধ করে দিয়ে উত্তর লিখলেই হবে)

উদাহরণ-৫: ( .625)10 কে বাইনারি সংখ্যায় রুপান্তর কর।
সমাধান: এখানে প্রদত্ত সংখ্যাটি ( .625)10 । সংখ্যাটিকে বাইনারিতে প্রকাশ করতে হলে নিয়ম অনুসারে বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি 2 দ্বারা সংখ্যাটিকে গুন করতে হবে।

  সংখ্যাটি(.625)পূর্ণাংশভগ্নাংশ
.625×2=1.251.25
.25×2=0.50.5
.5×2=1 বা 1.010

এখন ধাপ-০৪ অনুসারে, ( .625)10=( .101)2   (Ans.)

উদাহরণ-৬: ( .247)10 কে হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় রুপান্তর কর।
সমাধান: এখানে প্রদত্ত সংখ্যাটি ( .247)10 । সংখ্যাটিকে হেক্সাডেসিমালে প্রকাশ করতে হলে নিয়ম অনুসারে হেক্সাডেসিমাল সংখ্যার ভিত্তি 16 দ্বারা ( .247)10 সংখ্যাটিকে গুন করতে হবে।

  সংখ্যাটি( .247)পূর্ণাংশভগ্নাংশ
.247×16=3.9523.952
.925×16=15.23215(F).232
.232×16=3.7123.712
.712×16=11.39211(B).392

এখন ধাপ-০৪ অনুসারে, (.247)10=( .3F3B…………….)16 (Ans.)    বি.দ্র.: এখানে যেহেতু ৪বার গুন করার পরেও ভগ্নাংশ শূন্য হয়নি তাই উত্তর অংশের শেষে (…..) ব্যবহার করা হয়েছে।


 

র্পূণাংশ ও ভগ্নাংশ একই সংখ্যায় থাকলে-
প্রথমত: র্পূণাংশ ও ভগ্নাংশ আলাদা করে নিতে হবে।
দ্বিতীয়ত: র্পূণাংশ ও ভগ্নাংশের নিয়ম অনুসারে রুপান্তর করতে হবে এবং উত্তর লেখার সময় একসাথে লিখতে হবে। যেমন-

উদাহরণ-৭: (257.32)10 কে অক্টাল সংখ্যায় রুপান্তর কর।
সমাধান: এখানে প্রদত্ত সংখ্যাটির দুটি অংশ রয়েছে একটি র্পূণাংশ=(257)10 এবং ভগ্নাংশ= (.32)10 । সংখ্যাটিকে অক্টালে প্রকাশ করতে হলে নিয়ম অনুসারে পূর্ণাংশকে অক্টালের ভিত্তি 8 দ্বারা ভাগ করতে হবে। এবং ভগ্নাংশকে 8 দ্বারা গুন করতে হবে-

র্পূণাংশ=(257)10ভগ্নাংশ= (.32)10
  সংখ্যাটি( 257) ভাগফলভাগশেষ
257÷8321
32÷840
4÷804
  সংখ্যাটি( .32)পূর্ণাংশভগ্নাংশ
.32×8=2.562.56
.56×8=4.484.48
.48×8=3.843.84
 .84×8=6.726.72
এখানে, (257)10=(401)8এবং (.32)10=( .2436………)8
    অতএব, (257.32)10=( 401.2436……… )8      (Ans.)


 

নিয়ম-০২: বাইনারি,অক্টাল,হেক্সাডেসিমাল ও অন্যান্য ভিত্তি বিশিষ্ট সংখ্যা থেকে দশমিক সংখ্যায় রুপান্তর।
অর্থাৎ  যে কোন সংখ্যা থেকে দশমিক সংখ্যায় রুপান্তর। ( গুন প্রক্রিয়া )

ধাপ-০১: প্রদত্ত সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ক বা ডিজিটকে সংখ্যাটির বেস বা ভিত্তি দিয়ে গুন করি এবং প্রতিটি গুনফলের মাঝে যোগ চিহ্ন দিই।(পয়েন্ট থাকলে না বসাই)
ধাপ-০২: প্রতিটি ডিজিটের পজিশন সংখ্যাকে পাওয়ার হিসেবে বসাই।[পূর্ন সংখ্যার ক্ষেত্রে ডিজিট পজিশন শুরু হয় ০ থেকে (ডান থেকে বাম দিকে) এবং ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে ডিজিট পজিশন শুরু হয় -১ থেকে (বাম থেকে ডান দিকে)]
ধাপ-০৩: গাণিতিক হিসাবের মাধ্যমে প্রাপ্ত যোগফলই হবে নির্নেয় দশমিক সংখ্যা।

উদাহরণ-৮: (1011010)2 কে দশমিক সংখ্যায় রুপান্তর কর।
সমাধান:
(1011010)2
=(1×26)+(0×25)+(1×24)+(1×23)+(0×22)+(1×21)+(0×20) [ ধাপ ১ ও ২ অনুসারে ]
=64+0+16+8+0+2+0  [গাণিতিক হিসাব ]
=90
সুতরাং, (1011010)2=(90)10 (Ans.)

উদাহরণ-৯: (7BC)16 কে দশমিক সংখ্যায় রুপান্তর কর।
সমাধান:
(7BC)16
=(7×162)+(B×161)+(C×160) [ ধাপ ১ ও ২ অনুসারে ]
=(7×256)+(11×16)+(12×1) [গাণিতিক হিসাব ]
=1792+616+12
=2420
সুতরাং, (7BC)16=(2420)10 (Ans.)


উদাহরণ-১০: (101110.101)2 কে দশমিক সংখ্যায় রুপান্তর কর।
সমাধান:
(101110.101)2
=(1×25)+(0×24)+(1×23)+(1×22)+(1×21)+(0×20)+(1×2-1)+(0×2-2)+(1×2-3) [ ধাপ ১ ও ২ অনুসারে ]
=(1×32)+(0×16)+(1×8)+(1×4)+(1×2)+(0×1)+(1×0.5)+(0×0.25)+(1×0.125)
=32+0+8+4+2+0+0.5+0+0.125
=46.625
সুতরাং, (101110.101)2=(46)10     (Ans.)

উদাহরণ-১১: (123.540)8 কে দশমিক সংখ্যায় রুপান্তর কর।
সমাধান:
(123.540)8
=(1×82)+(2×81)+(3×80)+(5×8-1)+(4×8-2)+(0×8-3)   [ ধাপ ১ ও ২ অনুসারে ]
=(1×64)+(2×8)+(3×1)+(5×0.125)+(4×0.015625)+0
=64+16+3+0.625+0.0625+0
=83.6875
সুতরাং, (123.540)8=(83.6875)10     (Ans.)


নিয়ম-০৩: নন-ডেসিমাল অর্থাৎ বাইনারি,অক্টাল ও হেক্সাডেসিমাল সংখ্যার মধ্যে পারস্পারিক পরিবর্তন

  • বাইনারি → থেকে → অক্টাল ও হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় রুপান্তর।
  • অক্টাল ও হেক্সাডেসিমাল → থেকে → বাইনারি সংখ্যায় রুপান্তর।
  • অক্টাল → থেকে → হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় রুপান্তর।
  • হেক্সাডেসিমাল → থেকে → অক্টাল সংখ্যায় রুপান্তর।

(নিয়ম-০৩ হলো বিট পদ্ধতি,এখানে যে সংখ্যাটি দেওয়া থাকবে এবং যে সংখ্যায় রুপান্তর করতে হবে দুটির একটিতেও দশমিক সংখ্যা থাকবে না। বিট পদ্ধতি ২ ধরনের। যথা-
ক.অক্টাল তিন বিটের, যার বিট তিনটির ফর্মুলা হলো →(4 2 1)
খ.হেক্সাডেসিমাল চার বিটের, যার বিট চারটি ফর্মুলা হলো →(8 4 2 1)

অক্টাল সংখ্যা বাইনারি বিট(4 2 1)হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা বাইনারি বিট(8 4 2 1)
000000000
100110001
201020010
301130011
410040100
510150101
611060110
711170111
81000
91001
A1010
B1011
C1100
D1101
E1110
F1111

 

বাইনারি থেকে অক্টাল বা হেক্সাডেসিমাল-
ধাপ-১: পূর্ণ সংখ্যার ক্ষেত্রে সংখ্যাটির ডান থেকে বাম দিকে ৩-বিট(অক্টাল)/৪-বিট(হেক্সাডেসিমাল) করে গ্রুপ করে নিতে হবে এবং ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে বাম থেকে ডান দিকে ৩-বিট(অক্টাল)/৪-বিট(হেক্সাডেসিমাল) করে গ্রুপ করতে হবে । (এক্ষেত্রে গ্রুপ করতে বামে বিট কম পড়লে বামে এবং ডানে বিট কম পড়লে ডানে শূন্য বসিয়ে বিট পূরন করে নিতে হবে)
ধাপ-২: অতপর প্রতিটি ৩-বিট(অক্টাল)/৪-বিট(হেক্সাডেসিমাল) গ্রুপের আলাদা ভাবে অক্টাল/হেক্সাডেসিমেল মান লিখতে হবে।
ধাপ-৩: অবশেষে প্রাপ্ত অক্টাল/হেক্সাডেসিমেল মান গুলিকে পাশাপাশি সাজিয়ে লিখলে বাইনারি সংখ্যাটির সমতূল্য অক্টাল/হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পাওয়া যাবে।

উদাহরণ-১২: (111011101.1010111)2 কে অক্টাল সংখ্যায় রুপান্তর কর।
সমাধান:
প্রদত্ত সংখ্যাটি →    (11101110.1010111)
তিন বিট গ্রুপ → 011 101 110 . 101 011 100
অক্টাল মান →      3     5     6   .   5    3     4

সুতরাং, (111011101.1010111)2=(356.534)8     (Ans.)

উদাহরণ-১৩: (11011101.1010111)2 কে হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় রুপান্তর কর।
সমাধান:
প্রদত্ত সংখ্যাটি →               (1101110.1010111)
চার বিট গ্রুপ →             0110  1110 .1010  1110
হেক্সাডেসিমাল মান →      6         E    .   A        E

সুতরাং, (11011101.1010111)2=(6E.AE)16     (Ans.)


অক্টাল বা হেক্সাডেসিমাল থেকে বাইনারিতে প্রকাশ
ধাপ-০১: অক্টাল/হেক্সাডেসিমাল সংখ্যার প্রতিটি ডিজিটের তিন/চার বিট বাইনারি মান লিখতে হবে।(বিট ফর্মুলা ব্যবহার করে)
ধাপ-০১: প্রাপ্ত বাইনারি মান গুলিকে পাশাপাশি সাজিয়ে লিখলে অক্টাল/হেক্সাডেসিমাল সংখ্যাটির সমতূল্য বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যাবে।

উদাহরণ-১৫: (356.57)8 কে বাইনারি সংখ্যায় রুপান্তর কর।
সমাধান:
প্রদত্ত সংখ্যাটি →              (356.57)8
তিন বিট বাইনারি মান → 110  101 110  .101  111

সুতরাং, (356.57)8=(110101110.101111)2     (Ans.)

উদাহরণ-১৬: (B6A.C7)16 কে বাইনারি সংখ্যায় রুপান্তর কর।
সমাধান:
প্রদত্ত সংখ্যাটি →            (B6A.C7)16
চার বিট বাইনারি মান → 1011  1100 1010  .1100  0111

সুতরাং, (B6A.C7)16=(101111001010.11000111)2     (Ans.)


অক্টাল থেকে হেক্সাডেসিমাল
ধাপ-১: প্রথমে অক্টাল সংখ্যাটিকে বাইনারি সংখ্যায় রুপান্তর করতে হবে
ধাপ-২: প্রাপ্ত বাইনারি সংখ্যাটিকে হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় রূপান্তর করতে হবে

উদাহরণ-১৬: (356.57)8 কে হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় রুপান্তর কর।
সমাধান:
প্রদত্ত সংখ্যাটি →              (356.57)8
তিন বিট বাইনারি মান → 110  101 110  .101  111
চার বিট গ্রুপ →           0001  1010  1110 .1011  1100
হেক্সাডেসিমাল মান →     1         A       E   .   B       C

সুতরাং, (356.57)8=(1AE.BC)2     (Ans.)

হেক্সাডেসিমাল থেকে অক্টাল
ধাপ-১: প্রথমে হেক্সাডেসিমাল সংখ্যাটিকে বাইনারি সংখ্যায় রুপান্তর করতে হবে
ধাপ-২: প্রাপ্ত বাইনারি সংখ্যাটিকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর করতে হবে

উদাহরণ-১৭: (5C4.A7)16 কে অক্টাল সংখ্যায় রুপান্তর কর।
সমাধান:
প্রদত্ত সংখ্যাটি →                (5C4.A7)16
চার বিট বাইনারি মান → 0101  1100 0100  .1010  0111
তিন বিট গ্রুপ →           010 111  000  100 .101  001  110
অক্টাল মান →                 2    7       0     4   .  5     1       6

সুতরাং, (5C4.A7)16=(2704.516)8     (Ans.)


নিয়ম-০৪: দুটি অপরিচিত বেস বিশিষ্ট  সংখ্যার মধ্যে পারস্পারিক পরিবর্তন (2,8,10,16 বেস ব্যাতিত/2,8,10 বেস ব্যাতিত/2,10,16 বেস ব্যাতিত সংখ্যা থাকলে)
ধাপ-০১: প্রথমে প্রদত্ত সংখ্যাটিকে দশমিক সংখ্যায় রুপান্তর করতে হবে।(নিয়ম-০২ ব্যবহার করে অর্থাৎ গুন পদ্ধতি)
ধাপ-০২: প্রাপ্ত দশমিক সংখ্যাটিকে কাঙ্খিত সংখ্যায় রুপান্তর।(নিয়ম-০১ ব্যবহার করে অর্থাৎ ভাগ পদ্ধতি)

উদাহরণ-১৮: (452)6 কে 4 ভিত্তিক সংখ্যায় রুপান্তর কর।
সমাধান:
প্রথমত প্রদত্ত সংখ্যাটি (452)6 কে দশমিকে রুপান্তর করতে হবে-
(452)6
=(4×62)+(5×61)+(2×60) [ ধাপ ১ ও ২ অনুসারে ]
=(4×36)+(5×6)+(2×1) [গাণিতিক হিসাব ]
=144+30+2
=175
সুতরাং, (452)6=(175)10

দ্বিতীয়ত প্রাপ্ত সংখ্যাটি (175)10 কে 4 ভিত্তিক সংখ্যায় রুপান্তর করতে হবে-

  সংখ্যাটি(175)  ভাগফল ভাগশেষ
175÷4433
43÷4103
10÷422
2÷402

সুতরাং, (175)10=(2233)4
অতএব, (452)6=(2233)4    (Ans.)

বি.দ্র.: নিয়ম-০৪ এর মতো নিয়ম-০৩ এর রুপান্তর গুলিও করা সম্ভব।


 

 

তৃতীয় অধ্যায় লেকচার-০১:সংখ্যা পদ্ধতি ও এর প্রকারভেদ।



Written by

Mamun ict(CSE)

Email:mamunict201@gmail.com
Cell: +8801716308201
Jhenaigati,Sherpur.

Comments

Popular posts from this blog

কম্পিউটার কি? বা কাকে বলা হয় (Computer)?

HSC ICT চতুর্থ অধ্যায়- HTML (ওয়েব ডিজাইন)